👤 নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া
রাত পৌনে ১২টা। স্থানীয়দের সঙ্গে বাড়ির কাছেই একটি চা দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন রফিকুল আলম (৭)। অগত্যা একটি পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়ে দোকানে। গুরুতর আহত হন রফিকুল আলম। তাকে ধরাধরি করে নেওয়া হয় স্থানীয় একটি হাসপাতালে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সেখান থেকে চট্টগ্রামে নেওয়ার পথে রাত দুইটায় মারা যান তিনি।
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের জিদ্দাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দোকানটি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক সংলগ্ন।
নিহত রফিকুল আলম লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আওরঙ্গজেব বুলেটের চাচা। একসময় তি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) চাকরি করতেন।
নিহতের ভাগনে সাংবাদিক মাইনউদ্দিন হাসান শাহেদ বলেন, রাত পৌনে ১২টার দিকে বাড়িসংলগ্ন জিদ্দাবাজারে একটি চা দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন রফিকুল আলম। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রুহুল আমিনসহ (৪৫) আরও কয়েকজন। হঠাৎ নিয়ন্ত্রণহীন হারিয়ে একটি পিকআপ গাড়ি ঢুকে পড়ে দোকানে। এতে আহত হন রফিকুল ও রুহুল আমিন। আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রফিকুল আলমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। সেখানে নেওয়ার পথে রাত দুইটায় তিনি মারা যান।
সাংবাদিক মাইনউদ্দিন হাসান বলেন, ঘটনার পর স্থানীয়রা পিকআপ গাড়ি ও চালককে আটকে রেখেছিলেন। রফিকুল মারা যাওয়ার খবরে চালককে ছেড়ে দেন তাঁরা। পিকআপ গাড়িটি এখনও জিদ্দাবাজার এলাকায় আছে।
রফিকুলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে চিরিংগা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আমিন বলেন, পিকআপটি স্থানীয়রা আটক করে রেখেছেন বলে জেনেছি। তবে আমরা রাতে অনেক চেষ্টা করেও আমাদের জিম্মায় নিতে পারিনি গাড়িটি। আজ আবার কথা বলব স্থানীয় ও নিহতের পরিবারের সাথে।