কক্সবাজারের চকরিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এসময় বেধড়ক পিটিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা, তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলেকে গুরুতর জখম করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।
গত সোমবার (৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে চকরিয়া থানার পাশেই ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভরামুহুরী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতেরা হলেন আমিনুর রশিদ দুলাল (৫৫), তাঁর স্ত্রী রিফাত উম্মে সালমা (৪০), দুই ছেলে এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিহাল (১৮) ও নাফিজ (১৪)।
আমিনুর রশিদ দুলাল অভিযোগ করে বলেন, সোমবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে স্থানীয় ভরামুহুরী এলাকার রফিক আহমেদের ছেলে হেলাল উদ্দিন, নাজেম উদ্দিন, কফিল উদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন, আরিফ উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন দুর্বৃত্ত পূর্ব শত্রুতার কারণে আমার বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে অতর্কিত হামলা করে। এসময় তাঁদের বাধা দিতে গেলে হাতে থাকা লাঠিসোঁটা দিয়ে আমাকে আঘাত করে। একপর্যায়ে আক্রমণ থেকে আমাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসলে তাঁরা আমার স্ত্রী, আমার দুই ছেলেকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। ঘটনার সময় তাঁরা আমার বাড়ির আলমিরা ভেঙে বিপুল স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে গেছেন। পরে তাঁরা আমার দোকানেও হামলা করে।
তিনি আরও জানান, হামলায় আহত আমার স্ত্রী ও দুই ছেলেকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আমার স্ত্রী ও এক ছেলের শারিরীক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।
হামলার ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিক চকরিয়া পৌরসভার স্থানীয় ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জাফর আলম কালুর নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে পৌঁছে হামলাকারীদের কবল থেকে তাঁর পরিবার সদস্যদের উদ্ধার করেছেন বলে জানিয়েছেন আমিনুর রশিদ দুলাল। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এ ঘটনায় তিনি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিবেন বলে জানিয়েছেন।
এবিষয়ে হেলাল উদ্দিন ও নাজিম উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।