Search
Close this search box.
Search
Close this search box.

ভোটকেন্দ্র দখল কিংবা ভোটের বাক্সে হাত দেয়ার চিন্তা করলে তাঁর পরিণাম হবে ভয়াবহ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-০১ (চকরিয়া পেকুয়া) আসনে জামায়াত ইসলামি তথা ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক বলেছেন, ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশে পরিবর্তন এসেছে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য। তাঁরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে কেউ ভোটকেন্দ্র দখলের চিন্তা করলে তাঁর পরিণাম হবে ভয়াবহ। জনগণের আমানত ভোটের বাক্সে হাত দিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। এধরণের ঘটনার জন্য কেউ সাহস দেখালে প্রয়োজনে সেই হাত গুড়িয়ে দেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকালে চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের গাবতলী বাজারে দাঁড়িপাল্লা মার্কার সমর্থনে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুল্লাহ আল ফারুক একথা বলেন।

নির্বাচনী পথসভায় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ, চকরিয়া উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা মোজাম্মেল হক এবং ফাঁসিয়াখালী আশরাফুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম (পরিচালক) মাওলানা আব্দুল মান্নান।

ইউনিয়ন জামায়াতের সহসভাপতি ফরিদুল আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত পথসভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আব্দুল্লাহ বাহাদুর, সহসভাপতি মোহাম্মদ জাকারিয়া, শহীদ মহিউদ্দিন মাসুমের পিতা মোহাম্মদ ফজলুল কাদের এবং শহীদ আহসান হাবীব হাসানের পিতা হেলাল উদ্দিন।

তাঁর আগে একইদিন সকালে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ও ডুলাহাজারা ইউনিয়নে পৌঁছে পীরে কামেল হাফেজ আব্দুল হাই এবং পীরে কামেল মাওলানা আব্দুর রশিদের কবর জিয়ারত করেন আব্দুল্লাহ আল ফারুক। এ সময় মরহুমদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

কবর জিয়ারতকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা মোহাম্মদ সাঈদ, উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা মোজাম্মেল হক, সাবেক আমীর মাওলানা ছাবের আহমেদ ফারুকী, সাবেক উপজেলা আমীর মাওলানা আব্দুর রহমান আজাদ, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা সৈয়দ করিম এবং সাবেক নায়েবে আমীর মাস্টার মোহাম্মদ মুছা, খুটাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রহমান, হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন আহমেদ বাবর, নেজাম ইসলাম পার্টির নেতা মাওলানা মাহমুদুল হাসান চৌধুরী, রমজান আলীসহ ১১ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা।

10Shares