
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের মিয়াপাড়া এলাকায় অবস্থিত দারুর রহমান হিফয মাদ্রাসায় ২১ জন ছাত্রের বিদায় ও ১৩ জন ছাত্রের দস্তারবন্দী অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল সোমবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
দারুর রহমান হিফয মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা ক্বারী ওবাইদুল্লাহ বলেন, দারুর রহমান হিফয মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার খুব স্বল্প সময়ে ২১ জন ছাত্রকে বিদায় ও আরও ১৩জন ছাত্রের দস্তারবন্দী বা পাগড়ি দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং কোলাহলমুক্ত মনোরম পরিবেশের কারণে সম্ভব হয়েছে।
বিদায় ও দস্তারবন্দী উপলক্ষে দুপুর দুইটা থেকে তৃতীয় ক্বিরাত সম্মেলন ও দোয়া মাহফিল শুরু হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন দোহাজারী মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মারুফ, তানজিমে আহলে হক, পেকুয়া শাখার সেক্রেটারি
মাওলানা ক্বারী মুনীর উল্লাহ মুনীর, মাওলানা মাহমুদুল হক, মাওলানা জয়নাল আবেদীন, দারুত তাকওয়া বালক-বালিকা মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা হাফেজ মোহাম্মদ ইলিয়াস।
এছাড়া ক্বিরাত সম্মেলনে ক্বিরাত পরিবেশন করেন চট্টগ্রামের ক্বারী আতিক উল্লাহ মোবারক ও ক্বারী আব্বাস উদ্দিন।
পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাওলানা বেলাল উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে অন্তত শতাধিক অভিভাবক অংশ নেন। দুপুরে হিফয বিভাগের ছাত্র, আমন্ত্রিত মেহমান ও অভিভাবকেরা মধ্যাহ্নভোজে অংশ গ্রহণ করেন।
একজন বিদায়ী ছাত্রের বাবা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নাজেম উদ্দিন নূরী বলেন, খুবই ভালো পরিবেশে আমার ছেলে পড়াশোনা করেছে। দুই বছরের মধ্যে আমার ছেলে এখান থেকে হাফেজী শেষ করেছে। ইতিমধ্যে ওবাইদুল্লাহ হুজুরের দক্ষ পরিচালনা ও তত্বাবধানে প্রতিষ্ঠানটি পেকুয়ায় খুব সুনাম অর্জন করেছে। আমি দারুর রহমান হিফয মাদ্রাসার সর্বাঙ্গীণ উন্নতি কামনা করছি।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে পেকুয়া সদরের মিয়াপাড়া অর্থ্যাৎ মধু মাঝির বাড়ির বিপরীতে একটি ভবনে পেকুয়া দারুর রহমান হিফয মাদ্রাসার যাত্রা শুরু হয়। এই মাদ্রাসা থেকে ২০২৪ সালে ১৪ জন ও ২০২৩ সালে ৩ জন ছাত্র হিফয শেষ করে বিদায় নেন। খুব স্বল্প সময়ে ৩৮জন ছাত্র হাফেজী শেষ করে বিদায় নেওয়ায় পুরো উপজেলায় মাদ্রাসাটির সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে।





