Search
Close this search box.
Search
Close this search box.

দেশের সম্পদ চুরি করে বিদেশে বাড়ি বানানো চোরের কাজ-ধর্ম উপদেষ্টা

দেশের সম্পদ চুরি করে বিদেশে বাড়ি বানানো গৌরবের কাজ নয়, চোরের কাজ বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীনের চুয়ান্ন বছর হয়ে গেল। চুরি শেষ হয় নাই। কী আশ্চর্য! দেশের সম্পদ চুরি করে বিদেশে বাড়ি বানানো গৌরবের কাজ নয়, চোরের কাজ। প্রতিবেশ রক্ষার জন্য সরকার গাছ লাগায়। আমরা সেই গাছ চুরি করে বাজারে বিক্রি করি। আসুন এই চোরকে আমরা ধরি। পুলিশ লাগবে কেন। জনগনই এই চোরকে ধরবে।

গতকাল সোমবার দুপুর ১২টায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়ায় পেকুয়া উপজেলা মডেল মসজিদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, পৃথিবীর কোনো মসজিদে জুতার বাক্স নেই। আরএফএল জুতার বাক্স বানিয়েছে। কাতারে কাতারে লম্বা লম্বা করে দিয়েছে। নরওয়েতে নাই, ফিনল্যান্ডে নাই, সিঙ্গাপুরে নাই, মালয়েশিয়াতে নাই। পশ্চিমবঙ্গের একটা মসজিদে নামাজ পড়েছি। ওখানেও জুতার বাক্স নেই। কোনো মুসল্লী জুতা চুরি করে না। চোর মুসল্লীর বেশ ধরে জুতা চুরি করতে আসে। আসুন আল্লাহর ঘর আবাদ করি। মসজিদে মুসল্লী না থাকলে এটি কেয়ামতের লক্ষ্মণ। পেকুয়াবাসীর দায়িত্ব, এই এলাকাবাসীর দায়িত্ব এই মসজিদকে আবাদ রাখা। তিনি বলেন, কেয়ামতের একটা আলামত আছে। সেটা হচ্ছে
সুন্দর সুন্দর মসজিদ হবে কিন্তু মুসল্লী থাকবে না।

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আব্দুস ছালাম খান, চট্টগ্রাম গণপূর্ত জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী একিউএম শাহজালাল মজুমদার, প্রকল্প পরিচালক (জেলা, উপজেলা) ফেরদৌস-উজ-জামান ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন কক্সবাজার জেলার উপপরিচালক ফাহমিদা বেগম।

অনুষ্ঠানে মোনাজাত পরিচালনা করেন বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা এইচএম বদিউল আল।

পেকুয়া উপজেলা মডেল মসজিদটি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন যৌথভাবে নির্মাণ করেছে। ‘প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন (২য় পর্যায়)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় এই তিনতলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তর এটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছে। স্থাপনাটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৪ কোটি ৬৩ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। এ মডেল মসজিদে একসাথে ৯৫০ জন মুসল্লী নামাজ আদায় করতে পারবে। এরমধ্যে আলাদা প্রবেশপথসহ ১২০ জন মহিলার নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে।

2Shares