Search
Close this search box.
Search
Close this search box.

চাঁদাবাজি বন্ধে বদরখালী সেতুতে অবরোধ, দুর্ভোগে যাত্রীরা 

কক্সবাজারের চকরিয়া-বদরখালী-মহেশখালী সড়কে যানবাহন থেকে বেপরোয়া চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পরিবহন মালিক-শ্রমিকেরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। এ অবস্থায় সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে সোমবার সকাল আনুমানিক দশটার দিকে বদরখালী সেতুর ওপরে সড়ক অবরোধ করে স্থানীয় শ্রমিকেরা। এমন পরিস্থিতিতে বদরখালী সেতুর উভয় পাশে শত শত পন্যবাহী ও  যাত্রীবাহী যানবাহন আটকা পড়ে। এসময় রোগীসহ যাত্রী সাধারণ যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়ে। পরে অবশ্য চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে প্রশাসনের যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস পেয়ে বিকেল চারটার দিকে সড়ক অবরোধ তুলে নেন পরিবহন শ্রমিকেরা।

শ্রমিকেরা জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তনের পর থেকে কতিপয় চাঁদাবাজ চক্র পেশিশক্তির দাপট দেখিয়ে  সড়কের মহেশখালী চালিয়াতলী স্টেশনে দিবারাত্রি পণ্য ও যাত্রীবাহী গাড়ি জিম্মি করে চাঁদা আদায় করে আসছেন। এ অবস্থায় চাঁদাবাজ চক্রের অত্যাচারে স্থানীয় শ্রমিক ও যাত্রীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। তাদের এ অবৈধ চাঁদাবাজি ও মনগড়া সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইতিপূর্বে মানববন্ধনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং চকরিয়া  উপজেলা ও মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে সাময়িক বন্ধ থাকে। কিন্তু সম্প্রতি সময়ে অভিযুক্ত চাঁদাবাজ চক্র দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে তৎপরতা আরো বৃদ্ধি করে।

শ্রমিকেরা বলেন, চিহ্নিত চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যরা  সড়ক দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত যাত্রীদের জিম্মি করে ব্রিজে নামিয়ে তাদের নির্ধারিত গাড়িতে করে মহেশখালী যেতে বাধ্য করে। তাঁরা সড়কে বিভিন্ন অজুহাতে পণ্য ও যাত্রীবাহী যানবাহন আটকিয়ে অবৈধ চাঁদা আদায়সহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে। এ ঘটনায় শ্রমিকরা প্রতিবাদ করলে উল্টো মারধরের শিকার হতে হয়। ফলে দাপটের সাথে চাঁদাবাজ চক্রের সদস্যরা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। 

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন জানান, অবরোধের খবর পেয়ে চকরিয়া থানার পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

2Shares