
সবুজ ক্যাম্পাস। উপরে নীল আকাশ। পেছনে জলরাশি। উন্মুক্ত স্কুল মাঠ। চারপাশে দুর্বাঘাসের গালিছা। তাতেই তৈরি হয় বই বিতরণের খোলা মঞ্চ। শীতের মৃদু হাওয়ায় রঙ্গিন ঝালোয়ারের ওড়াওড়ি। টেবিল জুড়ে সাজানো সারি সারি নতুন বই। মাইকে একে একে নাম ঘোষিত হয়।
ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় বই। নতুন বই পেয়ে আনন্দে আত্মহারা শিক্ষার্থীরা।
বছরের প্রথমদিন ভার্চু স্কুল অ্যান্ড কলেজে এমনই ছিলো উন্মুক্ত মঞ্চে বই বিতরণের চিত্র।
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বদরখালী
ইউনিয়নের ব্যতিক্রমধর্মী ভার্চু স্কুল অ্যান্ড কলেজ সৃজনশীল শিক্ষাব্যবস্থাপনার জন্য বরাবরই সমাদৃত। শ্রেণিকক্ষের চার দেওয়ালের বাইরে রঙ্গিন সাজে সজ্জিত উন্মুক্ত মঞ্চে বই বিতরণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি আনন্দ এনে দেয়।
বই বিতরণ অনুষ্ঠানে ভার্চু স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মহি উদ্দিন কাদের অদুল বলেন, হৃদয়-মনের বিশালতা অর্জনের জন্যই বই
পড়তে হবে। জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকেই প্রতিটি পাঠ হৃদয়ঙ্গম করতে হবে। বছরের প্রথমদিনই ছাত্র-ছাত্রীদেরকে এ
শিক্ষাটি স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্যই খোলা আকাশের নিচে মুক্ত মঞ্চে নতুন বই বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বই বিতরণ উৎসবে আরো উপস্থিত ছিলেন ভার্চু স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক মরিয়ম বেগম মর্জিনা, সহকারী শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত
কো-অর্ডিনেটর স্মৃতি আপনান লাকী, সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, ইমরুল মোস্তফা ছাদিদ, রিমা আকতার, রহিমা বেগম, মোশাররফ হোছাইনসহ অভিভাবকম-লী। প্রথমদিনই প্লে থেকে নবম শ্রেণির শতাধিক
ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে বই তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান উপস্থাপন করেন সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী হুরে জন্নাত।





